মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

দর্শনীয় স্থান

ক্রমিক নাম কিভাবে যাওয়া যায় অবস্থান
যমচুক রাংগামাটি জেলা সদর থেকে দেশীয় ইঞ্জিন বোটে খারিক্ষ্যং, ত্রিপুরাছড়া এবং মাচ্চ্যাপাড়া হয়ে প্রায় ৪ ঘন্টা পায়ে হেটে যমচুক এলাকা যাওয়া যায়। যমচুগ এলাকাটি থেকে পুরো বন্দুক ভাংগা এলাকায় অবলোকন করা যায়।
শ্রদ্ধেয় বনভান্তের জন্ম স্থান মোরঘোনায় স্মৃতি স্তম্ভ ও স্মৃতি মন্দির(নির্মাণাধীণ)। রাঙ্গামাটি শহর থেকে রাঙ্গামাটি-আসামবস্তী -কাপ্তাই সড়কে বড়াদম পর্যন্ত যে কোন যানবাহনে যাওয়া যায়।
আসামবস্তী ব্রীজ পুরাতন বাস স্টেশন শাপলা চত্বর হতে টেক্সী রিজার্ভ করে আসাম বস্তী ব্রীজে যাওয়া যায়।
পর্যটন মোটেল ও ঝুলন্ত সেতু রাঙ্গামাটি শহরের তবলছড়ি হয়ে সড়ক পথে সরাসরি ‘পর্যটন কমপ্লেক্সে’ যাওয়া যায়। এখানে গাড়ি পার্কিং-য়ের সুব্যবস্থা রয়েছে। যারা ঢাকা বা চট্টগ্রাম থেকে সার্ভিস বাসে করে আসবেন তাদের তবলছড়িতে নেমে অটোরিক্সাযোগে রিজার্ভ করে (ভাড়ার পরিমাণ আনুমানিক ৮০-১০০/-) যেতে হবে।
উপজাতীয় যাদুঘর যাদুঘরটি সকলের জন্য উম্মুক্ত। রাঙ্গামাটি শহরের প্রবেশ দ্বারে সহজেই দৃষ্টি কাড়ে যে স্থাপত্যটি সেটিই উপজাতীয় যাদুঘর। ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠালগ্নে এতদঞ্চলের বিভিন্ন জাতিসত্তার নৃতাত্ত্বিক নিদর্শন সামগ্রি নিয়ে সীমিত পরিসরে এ যাদুঘরের যাত্রা শুরু হয়। ২০০৩ খ্রিস্টাব্দে নতুন ভবন নির্মিত হলে তা আরো সমৃদ্ধ হয়। এ যাদুঘরে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত জাতিসত্তাসমূহের ঐতিহ্যবাহী অলংকার, পোষাক-পরিচ্ছদ, বাদ্যযন্ত্র, ব্যবহার্য তৈজষপত্র, অস্ত্র-শস্ত্র, প্রাচীন মুদ্রা, প্রাচীন ধর্মীয় গ্রন্থ, পুঁতিপত্র, তৈলচিত্র ও উপজাতীয় জীবনধারার বিভিন্ন আলোকচিত্র রয়েছে। এসব সংগ্রহ দেখে জাতিসত্তাসমূহের জীবনাচার, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা অর্জন করা যায়।
জেলা প্রশাসক বাংলো রাঙ্গামাটি শহরের যে কোন স্থান হতে অটোরিক্সা যোগে যাওয়া যায়। ভাড়ার পরিমাণ ১০০-১৫০/- টাকা। তবে বাংলো এলাকায় প্রবেশের জন্য অনুমতি আবশ্যক।
জীবতলী ইউনিয়নের প্রবেশ মূখ রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা হতে সড়ক পথে তবলছড়ির আসামবস্তি হয়ে জীবতলী ইউনিয়নে যেতে হয়। ইহা ছাড়া নদীপথেও জীবতলী যাওয়া যায়।
নির্বানপুর বন ভাবনা কেন্দ্র রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি রোড এর পশ্চিম পাশে কুতুকছড়ি নামক স্থানে প্রতিষ্ঠাতা হয়। রাঙ্গামাটি সদর হতে কুতুকছড়ি ১৫ কিলোমিটার। উক্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নানাবিধ ধর্মীয় অনুষ্ঠানসহ প্রতিবছর দানোত্তম কঠিন চিবরদান উদযাপন করা হয়। এতে কয়েক হাজার পূন্যার্থী সমাগম হয়। বন ভাবনা কেন্দ্রে সড়ক পথে গাড়ী যোগে সরাসরি যাওয়া যায়।
বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্সেনায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ স্মৃতি ভাস্কর্য রাংগামাটি চট্টগ্রাম সড়ক সংলগ্ন সাপছড়ি নামক স্থানে অবস্থিত। সদর উপজেলা থেকে আটো রিক্সা এবং চট্টগ্রাম গামী বিভিন্ন যানের মাধ্যমে উক্ত স্থানে যাওয়া যায়।এখানে বিভিন্ন পর্যটক শীত কালীন সমযে ভীড় জমায়।